মন্থরগতিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি

।। রজত রায় ।।

উচ্চ ও মধ্যম আয়ের এক সন্ধিক্ষণে, বাংলাদেশ স্বল্প ও মধ্যমেয়াদী পরস্পর বিরোধী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। গত দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। প্রকৃত জিডিপির প্রবৃদ্ধি ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। বিশ্বব্যাংক বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ। যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

২০২৫ সালে ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা না আসার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক ও দেশি-বিদেশি গবেষণা সংস্থাগুলোর মতে, চলতি বছর দেশে আরও ৩০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্যের মধ্যে পড়বে। এতে অতি দারিদ্র্যের হার ৯ দশমিক ৩ শতাংশে পৌছাতে পারে। দুর্বল শ্রমবাজার, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং মজুরি না বাড়ার কারণে গরিব মানুষের প্রকৃত আয় কমছে। যার ফলে অনেকেই দারিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে। একটি পরিবারে যদি এক সপ্তাহ কাজ না থাকে, তাহলেই তারা দারিদ্র্যের নীচে চলে যাচ্ছে। ২০২২ সালের তুলনায় এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে। দেশে বর্তমানে ৩ কোটি ৯০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নীচে রয়েছে বলে আশঙ্খা করা হচ্ছে। একদিকে জীবনযাত্রার খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে মজুরি বাড়ছে না ফলে প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগ কম, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীরগতি এবং রাজস্ব ঘাটতি এই সংকটকে আরও বাড়াচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের এক নতুন বিশ্লেষণে, ১৯৬০ এর দশকের পর থেকে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে দুর্বল দশকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টির একটি প্রধান কারণ। এই বছর বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস জানুয়ারিতে পূর্বাভাস দেওয়া ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ৩ শতাংশ করেছে। এর ফলে বিশ্ব অর্থনীতি ১৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দুটি বৈশ্বিক মন্দা বাদ দিলে প্রথমটি ২০০৯ সালে আর্থিক সংকটের পর এবং দ্বিতীয়টি ২০২০ সালে, করোনা ভাইরাস মহামারীর প্রথম বছর। বিশ্ব ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, সেই বছরগুলোতে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যথাক্রমে ১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ২ দশমিক ৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে প্রধান অগ্রাধিকার দিচ্ছে। কয়েকটি ব্যাংকের দূরবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম কিছুটা সীমিত হওয়ায় ব্যাংকখাতে তারল্য সংকট রয়েছে। একই সঙ্গে আবার বিনিয়োগ চাহিদা কম, গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। সাম্প্রতিক যে কোনো বছরের তুলনায় যা কম। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ব্যাংক থেকে সরকার নীট ৭২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছিল। গত চার অর্থবছরের মধ্যে যা ছিল সর্বনিম্ন। গত অর্থবছরের জন্য সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা কম। মূলত আগের মতো এখন আর উন্নয়ন প্রকল্প হচ্ছে না। এসব কারণে সরকারের তেমন ঋণ চাহিদা নেই। শুল্কের তীব্র বৃদ্ধি এবং এর ফলে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা বিশ্বের বেশিরভাগ অর্থনীতিতে ব্যাপকভিত্তিক প্রবৃদ্ধি মন্দা এবং অবনতিশীল সম্ভাবনার দিকে অবদান রাখছে। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট অস্থিরতা বিশ্বব্যাপী প্রায় শতকরা ৭০ ভাগ অর্থনীতির জন্য সমস্ত অঞ্চল এবং আয় গোষ্ঠীর জন্য তাদের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমাতে বাধ্য হয়েছে। উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে প্রত্যাশিত মন্দার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী প্রবণতা যেমন সরকারি ঋণের মাত্রাবৃদ্ধি ও পায়।

জানুয়ারিতে পুনরায় ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে, ট্রাম্প আমেরিকার বেশিরভাগ বাণিজ্যিক অংশীদার এবং গাড়ি ও ইস্পাতসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উপর আমদানি শুল্ক বাড়িয়েছে। ৯ জুলাই থেকে আমেরিকার অনেক বাণিজ্যিক অংশীদারকে শাস্তিমূলকভাবে উচ্চ ‘পারস্পরিক শুল্ক’ চাপানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যদি না তারা ওয়াশিংটনের সাথে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে শুরু হয়েছে আরেক বিপর্যয়। ইউরোপের দেশগুলোতে গ্যাস সংকট হওয়ায় কারখানার চাকা থেমে যেতে থাকে। মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায় বহু গুণে। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস তৈরি পোশাক শিল্প। কিন্তু ২০২৬ সালের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চরম সংকট, বন্দরের মাশুল মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি ও আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থার বিভিন্ন বিধিনিষেধ খাতটির ভবিষ্যৎ বিপর্যয়ের মুখে। গত চার দশকেও পোশাকখাতের সমান্তরালে কোনো রপ্তানিযোগ্য শিল্পখাত গড়ে উঠতে না পারায় দেশের অর্থনীতি সার্বিকভাবেই যেন শঙ্কার মধ্যে রয়েছে। সাম্প্রতিক সংযম সত্ত্বেও, মুদ্রাস্ফীতি উচ্চতর রয়ে গেছে, আর্থিক খাতের দুর্বলতা আরও খারাপ হয়েছে এবং বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ধীর হয়ে গেছে। তবে, মধ্যমেয়াদী প্রবৃদ্ধি ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধারের আশা করা হচ্ছে। উচ্চ ও মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। মানব পুঁজি বৃদ্ধি করতে হবে এবং দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি করতে হবে, দক্ষ অবকাঠামো তৈরি করতে হবে এবং বেসরকারি বিনিয়োগকে আকর্ষন করে এমন নীতিগত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সামগ্রিক অর্থনীতির মন্থরগতির কারণে ব্যবসায়িক ঋণের চাহিদা কম থাকায় চলতি বছরে ব্যাংকিং খাতে ভোক্তা ঋণ বিতরণে দুই অংকের প্রবৃদ্ধির মুখ দেখেছে। ২০২৫ সালের জুন শেষে দেশে মোট ভোক্তা ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৭২ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ব্যাংক ঋণের প্রায় ১০ শতাংশ। এক বছর আগে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অক্টোবর ২০২৫ সালে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট রিপোর্টে বলা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যেও প্রবাসী আয়ের রেকর্ড প্রবাহ ও শক্তিশালী রপ্তানি আয়কে ভিত্তি করে ব্যক্তি খাতে ভোগ ব্যয় ৫ শতাংশের ও বেশি সম্প্রসারিত হয়ে দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছে। সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিতে রপ্তানি খাত উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। এই স্থিতি-স্থাপকতার প্রতিফলন পাওয়া যায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভোগ্য পণ্যের আমদানি ৩ শতাংশ বাড়ার ঘটনায়, যা টানা দুই বছর আমদানি সংকোচনের পর প্রথমবার ইতিবাচক প্রবৃদ্ধিতে অবস্থান করে।

বিশ্বের প্রতিটা দেশ দু’রকমভাবে ঋণ নিয়ে থাকে। একটি হলো অভ্যন্তরীণ ঋণ। অপরটির নাম জাতীয় ঋণ। অভ্যন্তরীণ ঋণ নিজের দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নিতে হয়। উদাহরণ হিসাবে কোনও সমাজকল্যাণ বা পরিকাঠামোমূলক উন্নয়ন প্রকল্পের কথা বলা যেতে পারে। আর্থিক বিশারদগণের মতে, অভ্যন্তরীণ ঋণের ক্ষেত্রে দেশের মধ্যেই এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে ঘুরতে থাকে টাকা। কখনও সিকিউরিটি বন্ড থেকে কোষাগারে আসা অর্থ চলে যায় কোনও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে। আবার সেখান থেকে উপার্জিত টাকায় মেটানো হয় অন্য কোনও খরচ। আর তাই এই ধরনের ঋণের ঝুঁকি মাত্রা অনেকটাই কম। তবে, কোনও দেশ, বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (আইএমএফ) বা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান থেকেও ধার নিতে পারে সরকার। অভ্যন্তরীণ ঋণের চেয়ে এটা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এই ঋণের টাকা কোনও অবস্থাতেই না পরিশোধ করে পার পাবে না কোন প্রশাসন। দ্বিতীয় সমস্যার জায়গা হল, সংশ্লিষ্ট দেশটির মুদ্রার দাম কমে বা বেড়ে গেলে, সেই ধাক্কাও সামলাতে হয় ঋণ গ্রহণকারী সরকারকে।

সম্প্রতি প্রকাশিত অর্থ বিভাগের ঋণ বুলেটিনের তথ্য মোতাবেক, জুন ২০২৫ শেষে বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণ ২১ ট্রিলিয়ন (২১ লাখ কোটি) টাকার উপরে। অর্থ্যাৎ ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে। যার মধ্যে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা আর অভ্যন্তরীণ ঋণ ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকা। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সুদ পরিশোধের পরিমাণও বেড়ে গেছে। গত অর্থ বছরে সরকার সুদ বাবদ ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে, যা এক বছরের ব্যবধানে ১৭ শতাংশ বেড়েছে। বৈদেশিক ঋণের সুদের অর্থ বেড়েছে ২১ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের দাবী, উন্নয়নশীল দেশগুলো মূলত শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয় ঠেকাতে ঋণ নিয়ে থাকে। এই খাতে নেওয়া ঋণের এক-তৃতীয়াংশই বকেয়া রয়েছে বলে জাতিসংঘের রিপোর্টে প্রকাশিত। বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জনসংখ্যা ৩৩০ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই রাষ্ট্রগুলোর প্রতি তিনটির মধ্যে একটি শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্যে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করে। এই খাতে তাদের খরচের পরিমাণ বার্ষিক সুদের চেয়ে অনেকটাই বেশি। বিশেষজ্ঞদের দাবী, বেশির ভাগ উন্নয়নশীল দেশের করকাঠামো শক্তিশালী নয়। এর ফলে উন্নয়নমূলক কর্মসূচির জন্য সরকারের হাতে পর্যাপ্ত টাকা থাকছে না। ফলে ঋণের উপরেই সরকারকে নির্ভর করতে হয়।

বিশ্বব্যাপী ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির দ্বিতীয় কারণ হলো অর্থে অবমূল্যায়ন। বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলার খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি লেনদেনের মাধ্যম। কিন্তু আর্থিক মন্দা থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিবর্তন ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ডলারের দামে পতন দেখা গিয়েছে। জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, আফ্রিকার দেশগুলো আমেরিকার চেয়ে গড়ে চার গুণ আর জার্মানির চেয়ে, গড়ে আট গুণ বেশি হারে ঋণ নিয়ে থাকে। এই প্রসঙ্গে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতারেজ বলেছেন, ‘‘ঋণের টাকাতেই উন্নয়নমূলক কাজ করতে পছন্দ করে আফ্রিকার অধিকাংশ দেশ। তাদের কাছে সরকারি অর্থ ও ঋণ সমার্থক’’।

মন্থরগতি বলতে বোঝায় অর্থনেতিক প্রবৃদ্ধি যা গতিশীল হলে ও তার গতি ধীর, অর্থ্যাৎ গড় থেকে নিচে বা আশানুরূপ গতিতে না বাড়তে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে সরকারের নীট ব্যাংক ঋণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক সহায়তা ও অভ্যন্তরীণ বন্ড বাজার থেকে সংগ্রহের কারণে সরকারের ব্যাংক নির্ভরতা কমেছে। বাংলাদেশকে বাণিজ্য বাধা কমাতে মুক্ত চুক্তি (এফটিএ) গঠন করতে হবে, যা রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে সাহায্য করবে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, জোরদার করতে হবে এবং আরও মানুষকে এই কর্মসূচির আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে এবং মানুষ দারিদ্র্য সীমা থেকে উপরে উঠতে পারবে।

লেখক: অর্থনীতি বিশ্লেষক
ই-মেইল : pkroyrajat2016@gmail.com

Add Comment

Click here to post a comment

space for add

 

আর্কাইভ