সিরিজের প্রথম ম্যাচে হতাশাজনকভাবে হেরে সমালোচনার মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের ঠিক আগে এমন ব্যর্থতা নিয়ে তৈরি হয়েছিল নানা প্রশ্ন। তবে সেই চাপকে প্রেরণা বানিয়েই শেষ দুই ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করল টাইগাররা।
চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় স্বাগতিকরা।
টসে জিতে আগে ব্যাট করে আশানুরূপ শুরু পেলেও খুব দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায় আয়ারল্যান্ড। পল স্টারলিং ও টিম টেক্টরের ওপেনিং জুটি ৩৮ রান তুললেও টেক্টরের বিদায়ের পর থেকেই শুরু হয় তাদের পতনের মিছিল। রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণি ও মুস্তাফিজের নিখুঁত লাইন-লেন্থে ব্যাটাররা একে একে ধরা পড়তে থাকেন। প্রথম ১০ ওভারে ৫০ রান তুললেও পরের অংশে ব্যাটিং সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। স্টারলিং ৩৮ রান করলেও তাকে কোনো সঙ্গ পাননি। শেষ পর্যন্ত ১৯.৫ ওভারে ১১৭ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড।
ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিং শুরু করে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ১৯ রানে আউট হলে একপ্রকার ছন্দ কিছুটা থামলেও ব্যাটিং ধস নামার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। অধিনায়ক লিটন দাসও ব্যর্থ হয়ে মাত্র ৭ রান করে ফেরেন। কিন্তু তানজিদ তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমনের জুটি নিশ্চিত করে দেয় একতরফা জয়। তানজিদ আগ্রাসন ও পরিমিতির মিশেলে তুলে নেন অপরাজিত ৫৫ রান, আর ইমন অপরাজিত থাকেন ৩৩ রানে। তাদের ব্যাটে ভর করে ১৩.৪ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচের ভুল থেকে শিখে শেষ দুই ম্যাচে যেভাবে দল ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তার মধ্যেই বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে টাইগাররা। সিরিজ জয়ের মাধ্যমে প্রস্তুতি পর্বে ইতিবাচক সমাপ্তি টেনে এখন সামনে বাংলাদেশের বড় চ্যালেঞ্জ, ৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।






Add Comment