নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা নিয়ে আগামী ৭ ডিসেম্বর (রোববার) বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই সভার পরই যেকোনো দিন সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে গণমাধ্যমকে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ তথ্য জানান।
ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আসন্ন রমজানের আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হবে। সরকারের তরফ থেকেও রমজানের আগে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট হওয়ার কথা বলা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ তফসিলের মাধ্যমেই জানিয়ে দেবে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, ভোটের ৬০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করার কথা ছিল। তবে এ বিষয়ে গত সপ্তাহে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি আব্দুর রহমান মাসুদ টিবিএসকে বলেন, ‘৬০ দিন বাধ্যতামূলক নয়। এটি ৫৮ কিংবা ৬২ দিনও হতে পারে। মোটামুটি ৬০ দিনের কাছাকাছি হিসাব ধরা হয়েছে।’
দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণের মধ্যে আলোচনা চলছে। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রয়োজনে কমিশন ইতোমধ্যে নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু করেছে।
গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে গত ২৯ নভেম্বর রাজধানীতে ‘মক ভোটিং’ বা মহড়া ভোটের আয়োজন করে ইসি।
উল্লেখ্য, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার মধ্য দিয়েই মূলত আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়। তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং প্রতীক বরাদ্দের সুযোগ পান। তফসিলের মাধ্যমেই নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হয়।






Add Comment